Best Health Insurance Company in India

Pharyngitis Meaning in Bengali: ফ্যারিঞ্জাইটিস কী, এর লক্ষণ, কারণ ও চিকিৎসা

9 June, 2026

9 Shares

47 Reads

Pharyngitis Meaning in Bengali

Share

Written by: Narender Singh

কখনও কখনও গলায় হালকা ব্যথা, খুসখুসে ভাব বা গিলতে গেলে অস্বস্তি অনুভূত হয়। অনেকেই এটিকে সাধারণ সর্দি-কাশি ভেবে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু অনেক সময় এর পেছনে গলার সংক্রমণও থাকতে পারে। এমনই একটি অবস্থাকে ফ্যারিঞ্জাইটিস বলা হয়, যেখানে গলার পেছনের অংশে প্রদাহ বা ফোলা দেখা দেয়।

 

এই সমস্যা শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক, যেকোনো মানুষেরই হতে পারে। এর ফলে গলায় ব্যথা, জ্বালা, জ্বর কিংবা কথা বলতে অস্বস্তি হতে পারে। এই লেখায় আমরা বিস্তারিতভাবে জানব Pharyngitis meaning in Bengali কী, এটি কেন হয়, এর প্রধান লক্ষণগুলো কী এবং এই সমস্যা থেকে স্বস্তি পেতে কী ধরনের চিকিৎসা ও যত্ন নেওয়া যেতে পারে।

ফ্যারিঞ্জাইটিস কী?

ফ্যারিঞ্জাইটিস হল গলার পেছনের অংশে হওয়া এক ধরনের প্রদাহ বা সংক্রমণ। সাধারণত সর্দি-কাশি বা ফ্লুর সময় এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। যখন গলার ভেতরের নরম স্তরে প্রদাহ হয়, তখন গলায় ব্যথা, খুসখুসে ভাব এবং গিলতে সমস্যা অনুভূত হতে পারে।

 

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। তবে কিছু পরিস্থিতিতে ব্যাকটেরিয়াও এই সংক্রমণের জন্য দায়ী হতে পারে। যদি এই সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে বা লক্ষণগুলো খুব বেশি গুরুতর হয়ে ওঠে, তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ফ্যারিঞ্জাইটিসের ধরন

গলায় প্রদাহ বিভিন্ন কারণে হতে পারে, তাই ফ্যারিঞ্জাইটিসের ধরনগুলো বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে রোগের প্রকৃতি বুঝে সঠিক চিকিৎসা নেওয়া সহজ হয়।

ভাইরাল ফ্যারিঞ্জাইটিস

এটি সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ফ্যারিঞ্জাইটিস। সাধারণ সর্দি-কাশি বা ফ্লুর ভাইরাসের কারণে এটি হয়ে থাকে। এই ক্ষেত্রে গলায় ব্যথা, হালকা জ্বর এবং খুসখুসে ভাব দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ সময় কয়েক দিনের মধ্যেই শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতার মাধ্যমে এই সংক্রমণ নিজে থেকেই কমে যায় এবং সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয় না।

ব্যাকটেরিয়াল ফ্যারিঞ্জাইটিস

এই ধরনের ফ্যারিঞ্জাইটিস ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। এতে গলায় তীব্র ব্যথা, জ্বর এবং গলার ভেতরে লালচে ফোলা দেখা যেতে পারে। ভাইরাল সংক্রমণের তুলনায় এটি কিছুটা বেশি গুরুতর হতে পারে। এই অবস্থায় চিকিৎসক প্রায়ই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দেওয়ার পরামর্শ দেন যাতে সংক্রমণ দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

অ্যালার্জিক ফ্যারিঞ্জাইটিস

কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ধুলো, ধোঁয়া, পরাগকণা বা অন্য কোনো অ্যালার্জির কারণে গলায় জ্বালা ও প্রদাহ হতে পারে। একে অ্যালার্জিক ফ্যারিঞ্জাইটিস বলা হয়। এতে গলায় খুসখুসে ভাব, কাশি এবং অস্বস্তি হতে পারে। সাধারণত অ্যালার্জির উৎস থেকে দূরে থাকা এবং অ্যান্টি-অ্যালার্জি ওষুধ ব্যবহার করলে এই সমস্যার উপশম হয়।

ফ্যারিঞ্জাইটিসের লক্ষণ

ফ্যারিঞ্জাইটিসের লক্ষণ সংক্রমণের ধরন এবং ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে ভিন্ন হতে পারে। তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়।

  • গলায় ব্যথা বা খুসখুসে ভাব অনুভূত হয়, যা কথা বলা বা খাবার খাওয়ার সময় আরও বেশি বিরক্তিকর হয়ে উঠতে পারে। অনেক সময় গিলতে অসুবিধা হয়, ফলে খাবার বা পানি গ্রহণ করাও কষ্টকর মনে হয়।
  • গলার ভেতরে ফোলা বা লালচে ভাব দেখা যেতে পারে, যার ফলে গলা সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। শরীরে সংক্রমণ থাকলে জ্বরও হতে পারে। অনেকের মাথাব্যথা এবং শরীর ব্যথা বা ক্লান্তি অনুভূত হয়।
  • কিছু ক্ষেত্রে গলার স্বর বসে যেতে পারে বা ভারী হয়ে যেতে পারে, যার ফলে পরিষ্কারভাবে কথা বলা কঠিন হয়। এছাড়া গলার পাশে বা ঘাড়ে লিম্ফ নোড ফুলে যেতে পারে, যা শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করছে তার একটি লক্ষণ।

 

ফ্যারিঞ্জাইটিসের কারণ

গলায় প্রদাহ বা ব্যথা সব সময় একই কারণে হয় না। বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, পরিবেশগত কারণ এবং জীবনযাপনের কিছু অভ্যাসও এর জন্য দায়ী হতে পারে। এসব কারণ জানা থাকলে রোগ প্রতিরোধ করা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়।

 

ভাইরাল সংক্রমণ

সাধারণ সর্দি-কাশি বা ফ্লুর ভাইরাস ফ্যারিঞ্জাইটিসের সবচেয়ে সাধারণ কারণ। এই ধরনের সংক্রমণে হঠাৎ গলায় ব্যথা, খুসখুসে ভাব এবং কখনও হালকা জ্বর দেখা দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কয়েক দিনের বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি পান এবং শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতার মাধ্যমে এই সমস্যা ধীরে ধীরে কমে যায়।

 

ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ

কিছু পরিস্থিতিতে ব্যাকটেরিয়া গলার ভেতরে সংক্রমণ তৈরি করতে পারে। এই ক্ষেত্রে গলায় তীব্র ব্যথা, ফোলা এবং উচ্চ জ্বর দেখা দিতে পারে। ভাইরাল সংক্রমণের তুলনায় এটি বেশি গুরুতর হতে পারে এবং অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী হয়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

 

অ্যালার্জি

ধুলো, ধোঁয়া বা পরাগকণার মতো অ্যালার্জেনের কারণে গলায় জ্বালা এবং প্রদাহ হতে পারে। এই অবস্থায় গলায় চুলকানি, কাশি এবং অস্বস্তি দেখা দেয়। এটি সংক্রমণ নয়, বরং শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি প্রতিক্রিয়া। অ্যালার্জির উৎস এড়িয়ে চলা এবং উপযুক্ত ওষুধ ব্যবহার করলে উপসর্গ কমানো সম্ভব।

 

দূষণ ও ধূমপান

ধোঁয়া এবং দূষিত বাতাস দীর্ঘ সময় ধরে গলার ভেতরের স্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। যারা ধূমপান করেন বা নিয়মিত দূষিত পরিবেশে থাকেন, তাদের গলায় খুসখুসে ভাব এবং জ্বালা বেশি দেখা যায়। এই ধরনের অভ্যাস গলাকে সংবেদনশীল করে তোলে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।

 

শুষ্ক বাতাস

খুব বেশি শুষ্ক পরিবেশে থাকলে গলার ভেতরের অংশ শুকিয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে শীতকালে বা এয়ার-কন্ডিশনড ঘরে দীর্ঘ সময় থাকলে এই সমস্যা দেখা যায়। পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং প্রয়োজনে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে গলার আর্দ্রতা বজায় রাখা যায়।

 

ফ্যারিঞ্জাইটিস কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

ফ্যারিঞ্জাইটিস নির্ণয়ের জন্য সাধারণত চিকিৎসক রোগীর লক্ষণ এবং শারীরিক পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেন। 

 

  • প্রথমে ডাক্তার গলার ভেতর পরীক্ষা করে দেখেন সেখানে লালচে ভাব, ফোলা বা অন্য কোনো সংক্রমণের লক্ষণ রয়েছে কি না। পাশাপাশি রোগীর কাছ থেকে উপসর্গ কতদিন ধরে রয়েছে এবং কতটা গুরুতর তা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হয়।
  • প্রয়োজন হলে গলার সোয়াব টেস্ট করা হয়। এতে গলা থেকে একটি ছোট নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়, যাতে বোঝা যায় সংক্রমণ ভাইরাসের কারণে হয়েছে নাকি ব্যাকটেরিয়ার কারণে। এই পরীক্ষা সঠিক চিকিৎসা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • কিছু ক্ষেত্রে রক্ত পরীক্ষাও করা হতে পারে। এর মাধ্যমে শরীরে সংক্রমণের ধরন এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। 

 

সব তথ্য বিশ্লেষণ করার পর চিকিৎসক নির্ধারণ করেন রোগটি ভাইরাল না ব্যাকটেরিয়াল এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসার পরিকল্পনা করেন।

 

ফ্যারিঞ্জাইটিসের চিকিৎসা

ফ্যারিঞ্জাইটিসের চিকিৎসা মূলত সংক্রমণের কারণ এবং লক্ষণের তীব্রতার উপর নির্ভর করে। সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে গলার ব্যথা ও অস্বস্তি দ্রুত কমে যায়।

 

বিশ্রাম এবং পর্যাপ্ত পানি

ফ্যারিঞ্জাইটিস হলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। এতে শরীর সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য পর্যাপ্ত শক্তি পায়। একই সঙ্গে প্রচুর পানি বা তরল পান করা উচিত। গরম পানি, স্যুপ বা হার্বাল চা গলার অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে এবং দ্রুত সুস্থ হতে সহায়তা করে।

 

ওষুধ

গলার ব্যথা ও জ্বর কমানোর জন্য চিকিৎসক কিছু সাধারণ ওষুধ দিতে পারেন। যদি সংক্রমণ ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে, তাহলে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হতে পারে। তবে কোনো ওষুধই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্রহণ করা উচিত নয়, কারণ ভুল ওষুধ পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে।

 

ঘরোয়া প্রতিকার

কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়ও গলার ব্যথা কমাতে সহায়ক হতে পারে। যেমন গরম লবণ পানিতে গার্গল করা, গরম স্যুপ বা হার্বাল চা পান করা এবং গলাকে বিশ্রাম দেওয়া। এসব পদ্ধতি সরাসরি সংক্রমণ দূর না করলেও উপসর্গগুলো অনেকটাই কমিয়ে দেয় এবং আরাম দেয়।

 

ফ্যারিঞ্জাইটিস থেকে কীভাবে বাঁচা যায়?

গলার সংক্রমণ থেকে বাঁচতে কিছু সাধারণ কিন্তু কার্যকর অভ্যাস দৈনন্দিন জীবনে অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। এসব অভ্যাস শুধু ফ্যারিঞ্জাইটিস নয়, অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ থেকেও সুরক্ষা দেয়।

 

  • নিয়মিত হাত ধোয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ হাতে থাকা ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সহজেই শরীরে প্রবেশ করতে পারে। সাবান ও পানি দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়ার অভ্যাস সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক কমিয়ে দেয়।
  • সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কাছাকাছি যাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। ভিড়ের জায়গায় মাস্ক ব্যবহার করা এবং দূরত্ব বজায় রাখা সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক।
  • ধূমপান এবং ধোঁয়া থেকে দূরে থাকা গলার স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তামাকের ধোঁয়া গলার ভেতরের স্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
  • সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখা শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি, প্রোটিন এবং সবুজ শাকসবজি সমৃদ্ধ খাবার শরীরকে সুস্থ রাখে।
  • এছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান করা গলার আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং গলা শুকিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

 

উপসংহার

যদি গলায় ব্যথা, খুসখুসে ভাব বা গিলতে সমস্যা বারবার দেখা দেয়, তাহলে সেটিকে অবহেলা করা উচিত নয়। প্রথমে বিশ্রাম নেওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং গলার যত্ন নেওয়া কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। তবে যদি কয়েক দিনের মধ্যে সমস্যা কমে না যায় বা জ্বর ও ব্যথা বাড়তে থাকে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

 

সঠিক সময়ে পরীক্ষা ও চিকিৎসা শুরু করলে ফ্যারিঞ্জাইটিসের মতো সমস্যাকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং জটিলতা থেকেও রক্ষা পাওয়া সম্ভব। পাশাপাশি হঠাৎ চিকিৎসা খরচের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। একটি ভালো health insurance পরিকল্পনা চিকিৎসা, পরীক্ষা এবং ওষুধের খরচ সামলাতে সাহায্য করতে পারে। অনেকেই নির্ভরযোগ্য কভারেজের জন্য Niva Bupa Health Insurance-এর মতো বিকল্প বেছে নেন, যাতে প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা পাওয়া সহজ হয়।

 

FAQs

 

1. ফ্যারিঞ্জাইটিস কী?

ফ্যারিঞ্জাইটিস হল গলার পেছনের অংশে হওয়া এক ধরনের প্রদাহ বা সংক্রমণ। এর ফলে গলায় ব্যথা, খুসখুসে ভাব এবং গিলতে অসুবিধা হতে পারে। সাধারণত ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়।

 

2. ফ্যারিঞ্জাইটিসের সাধারণ লক্ষণগুলো কী কী?

গলায় ব্যথা, খুসখুসে ভাব, জ্বর, মাথাব্যথা এবং গিলতে অসুবিধা, এসবই এর সাধারণ লক্ষণ। অনেক সময় গলার স্বর বসে যেতে পারে এবং ঘাড়ের লিম্ফ নোড ফুলে যেতে পারে।

 

3. ফ্যারিঞ্জাইটিস কি সংক্রামক?

যদি এটি ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে, তাহলে এটি একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়াতে পারে। তাই আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি যাওয়া এড়িয়ে চলা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

 

4. ফ্যারিঞ্জাইটিসের চিকিৎসা কীভাবে করা হয়?

চিকিৎসা সংক্রমণের কারণের উপর নির্ভর করে। ভাইরাল ক্ষেত্রে বিশ্রাম ও ঘরোয়া যত্নই যথেষ্ট হতে পারে, কিন্তু ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণে চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দিতে পারেন।

 

5. ফ্যারিঞ্জাইটিস কত দিনে ভালো হয়?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে উপসর্গ কমে যায়। তবে যদি সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে থাকে বা খুব বেশি গুরুতর হয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 

6. ফ্যারিঞ্জাইটিস হলে কি সবসময় অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হয়?

না, সব ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না। যদি সংক্রমণ ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে, তাহলে সাধারণত বিশ্রাম, গরম পানি পান এবং ঘরোয়া যত্নেই উপসর্গ কমে যায়। তবে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ হলে চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দিতে পারেন।

 

7. ফ্যারিঞ্জাইটিস হলে কি ঘরোয়া উপায়ে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়?

হ্যাঁ, কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় গলার অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। গরম লবণ পানিতে গার্গল করা, গরম স্যুপ বা হার্বাল চা পান করা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া গলার ব্যথা ও খুসখুসে ভাব কমাতে সহায়ক হতে পারে।

 

8. ফ্যারিঞ্জাইটিস হলে কখন ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত?

যদি গলার ব্যথা এক সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়, জ্বর খুব বেশি হয় বা গিলতে ও শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়, তাহলে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সময়মতো চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

Start Your Health Insurance Today

Get right coverage, right premium and the right protection instantly.

+91
Disclaimer infoBy clicking, I agree to Niva Bupa 

You may also like

Popular Searches

Health InsuranceHealth InsuranceBest Family Health InsuranceBest Health Insurance For Senior Citizens In IndiaHealth Insurance With Opd CoverMediclaim InsuranceCritical Illness InsurancePersonal Accident InsuranceMediclaim PolicyIndividual Health InsuranceMaternity InsuranceBest Health Insurance companyNRI Health Insurance
 

Health Insurance Schemes - PMMVY LoginPMJJBY Policy StatusSwasthya Sathi CardPMSBYABHA Card DownloadPMJJBY | Ayushman CardPMMVY 2.0Ayushman Vay Vandana Card PMMVY NIC IN रजिस्ट्रेशनPMMVY 2.0 लॉगिन

 

Travel Insurance Plans Travel InsuranceInternational Travel InsuranceStudent Travel InsuranceTravel Insurance USATravel Insurance CanadaTravel Insurance ThailandTravel Insurance GermanyTravel Insurance DubaiTravel Insurance BaliTravel Insurance AustraliaTravel Insurance SchengenTravel Insurance SingaporeTravel Insurance UKTravel Insurance VietnamTravel Insurance JapanTravel Insurance SpainTravel Insurance AsiaTravel Insurance NetherlandsTravel Insurance TurkeyTravel Insurance IrelandTravel Insurance PhillipinesTravel Insurace ItalyTravel Insurance FranceTravel Insurance ChinaTravel Insurance GeorgiaTravel Insurance South AfricaTravel Insurance MaldivesTravel Insurance PortugalTravel Insurance MalaysiaTravel Insurance QatarTravel Insurance PolandTravel Insurance Greece Travel Insurance New zealandTravel Insurance Saudi ArabiaTravel Insurance Sri Lanka


Become an Agent Insurance Agent | Insurance AdvisorLicensed Insurance AgentHealth Insurance ConsultantPOSP Insurance AgentIRDA Certificate DownloadIC 38 ExamInsurance Agent vs POSPIRDA Exam SyllabusIRDAI Agent LocatorIRDA exam feePaise Kaise KamayeGhar Baithe Paise Kaise Kamaye

 

Top Hospitals Best Hospitals in ChennaiTop Hospitals in DelhiBest Hospitals in GurgaonBest Hospitals in IndiaTop 10 Hospitals in IndiaBest Hospitals in HyderabadBest Hospitals in KolkataBest cancer hospitals in BangaloreBest cancer hospitals in HyderabadBest cancer hospitals in MumbaiBest cancer hospitals in IndiaTop 10 cancer hospitals  in India


Others - Ayushman BharatGst Refund for NRI on Health Insurance PremiumHealth Insurance Tax Deductible

 

Health & Wellness शिलाजीत के फायदे हिंदी | Weight Gain Diet in HindiSat Isabgol Uses In HindiAloe Vera Juice Benefits in HindiDragon Fruit Benefits in HindiAkal Daad in HindiAcidity Home Remedies in HindiNikat Drishti Dosh in HindiYoga Benefits in HindiLaung Khane ke Fayde in HindiLeukoplakia in HindiProtien in 100g PaneerBenefits of Rice Water For SkinB12 Deficiency Symptoms in HindiFibre Foods in HindiChronic Disease Meaning in HindiVitamin D Foods in HindiBlood Urea in HindiBeetroot Uses Good for Health 

 

Calculator BMI CalculatorPregnancy CalculatorPregnancy Calendar Based on Conception DatePregnancy Conception Date CalculatorLast Menstrual Period CalculatorBMR CalculatorGFR CalculatorOvulation Calculator