Best Health Insurance Company in India

Intermittent Fasting in Bengali: ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং কী এবং কীভাবে করবেন?

28 April, 2026

9 Shares

28 Reads

Intermittent Fasting in Bengali

Share

আজকাল মানুষ তাদের স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস নিয়ে আগের তুলনায় অনেক বেশি সচেতন হয়ে উঠেছে। ওজন কমানো, শক্তির মাত্রা বাড়ানো এবং শরীরকে সুস্থ রাখা এখন সবারই লক্ষ্য। এই সময়ে একটি নতুন ট্রেন্ড খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, সেটি হলো ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং।

 

এটি শুধুমাত্র একটি ডায়েট প্ল্যান নয়, বরং একটি জীবনযাত্রার পরিবর্তন, যেখানে খাওয়ার সময় এবং উপবাসের সময়কে সঠিকভাবে ভাগ করা হয়। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি সহজে অনুসরণ করা যায় এবং শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে ডিটক্স করতে সাহায্য করে।

 

আপনি যদি ভাবছেন intermittent fasting আরও ভালোভাবে কীভাবে বোঝা যায়, তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই গাইডে আমরা বিস্তারিতভাবে জানবো ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং কী, কীভাবে এটি করা হয় এবং এর কী কী উপকারিতা রয়েছে।

 

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং কী?

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং হলো একটি খাওয়ার পদ্ধতি যেখানে খাওয়া এবং উপবাসের সময় নির্দিষ্ট করে নেওয়া হয়। এখানে মূল গুরুত্ব দেওয়া হয় আপনি কখন খাচ্ছেন, শুধুমাত্র কী খাচ্ছেন তা নয়।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং মানে দিনের বা সপ্তাহের কিছু সময় খাবার না খাওয়া এবং বাকি সময়ে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা। উদাহরণস্বরূপ, ১৬ ঘণ্টা উপবাস রাখা এবং ৮ ঘণ্টার মধ্যে সমস্ত খাবার খাওয়া।

এই পদ্ধতির মাধ্যমে শরীর হজম প্রক্রিয়া থেকে কিছুটা বিশ্রাম পায় এবং নিজস্ব প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন কোষ মেরামত এবং ডিটক্স আরও ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারে।

 

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং কীভাবে কাজ করে?

যখন আপনি কয়েক ঘণ্টা ধরে কিছু খান না, তখন শরীর প্রথমে জমে থাকা শর্করা বা গ্লাইকোজেন ব্যবহার করে। এরপর শরীর শক্তির জন্য ফ্যাট ব্যবহার করতে শুরু করে, যাকে ফ্যাট বার্নিং বলা হয়।

ফাস্টিং চলাকালীন শরীরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে:

  • ইনসুলিনের মাত্রা কমে যায়, যা ফ্যাট বার্নিং প্রক্রিয়াকে বাড়ায়
  • গ্রোথ হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে, যা কোষের পুনর্গঠনে সাহায্য করে
  • শরীরের কোষগুলো দ্রুত মেরামত হয় এবং নতুন কোষ তৈরি হয়
  • জমে থাকা ফ্যাট শক্তি হিসেবে ব্যবহার হয়, ফলে ওজন কমতে শুরু করে
     

এই প্রক্রিয়াগুলোর কারণে শরীর ধীরে ধীরে আরও ফিট এবং সক্রিয় হয়ে ওঠে।

 

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং-এর ধরন

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজের জীবনযাত্রা এবং স্বাস্থ্যের অবস্থা অনুযায়ী একটি পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন।

 

১৬:৮ পদ্ধতি

এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজ পদ্ধতি। এখানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ ঘণ্টা উপবাস রাখা হয় এবং বাকি ৮ ঘণ্টার মধ্যে খাবার খাওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি রাত ৮টায় শেষবার খান, তাহলে পরের দিন দুপুর ১২টায় আবার খাবেন। এই পদ্ধতি নতুনদের জন্য খুবই উপযোগী, কারণ এটি সহজে অনুসরণ করা যায় এবং দীর্ঘমেয়াদে বজায় রাখা সম্ভব।

 

৫:২ পদ্ধতি

এই পদ্ধতিতে সপ্তাহের ৫ দিন আপনি স্বাভাবিকভাবে খাবেন এবং বাকি ২ দিন খুব কম ক্যালোরির খাবার গ্রহণ করবেন। এই দুই দিনে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার যেমন ফল, সবজি বা স্যুপ খাওয়া ভালো। যারা কঠোর নিয়ম মানতে চান না, তাদের জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প।

 

২৪ ঘণ্টার ফাস্ট

এই পদ্ধতিতে সপ্তাহে ১ বা ২ বার পুরো ২৪ ঘণ্টা উপবাস রাখা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি রাত ৮টায় খান, তাহলে পরের দিন রাত ৮টা পর্যন্ত আর কিছু খাবেন না। এটি শরীরকে গভীরভাবে ডিটক্স করতে সাহায্য করে, তবে এটি ধীরে ধীরে অভ্যাস করা উচিত।

 

অল্টারনেট ডে ফাস্টিং

এই পদ্ধতিতে একদিন স্বাভাবিকভাবে খাবার খাওয়া হয় এবং পরের দিন খুব কম বা একেবারেই খাওয়া হয় না। এটি কিছুটা কঠিন হতে পারে, কিন্তু এটি ওজন কমানো এবং মেটাবলিজম উন্নত করতে কার্যকর বলে মনে করা হয়।

 

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং কীভাবে শুরু করবেন?

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শুরু করা সহজ, তবে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ধীরে ধীরে অভ্যাস করলে এটি দীর্ঘদিন ধরে বজায় রাখা যায়।

 

ধীরে ধীরে শুরু করুন

প্রথম থেকেই দীর্ঘ সময় উপবাস না রেখে ছোট সময় দিয়ে শুরু করুন। আপনি ১২ ঘণ্টা দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে ১৪ এবং পরে ১৬ ঘণ্টা করতে পারেন। এতে শরীর সহজে নতুন রুটিনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে এবং কোনো চাপ অনুভব করে না।

 

খাওয়ার সময় নির্ধারণ করুন

ফাস্টিং-এর ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট খাওয়ার সময় ঠিক করা খুব জরুরি। যেমন, সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খাওয়ার সময় নির্ধারণ করতে পারেন। এতে শরীরের বায়োলজিক্যাল ক্লক ঠিক থাকে এবং হজম প্রক্রিয়া ভালোভাবে কাজ করে।

 

সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন

যে সময় আপনি খাবেন, সেই সময় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। ফল, সবজি, প্রোটিন, সম্পূর্ণ শস্য এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট অন্তর্ভুক্ত করুন। এতে শরীর প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি পায় এবং ফাস্টিং-এর উপকারিতা বাড়ে।

 

পানি বেশি পান করুন

ফাস্টিং-এর সময় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রচুর পানি পান করুন। চাইলে লেবু পানি, গ্রিন টি বা ব্ল্যাক কফি নিতে পারেন। এতে ক্ষুধা কম লাগে এবং শরীর সতেজ থাকে।

 

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং-এর উপকারিতা

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, কারণ এটি শরীর ও মনের জন্য বহুমুখী উপকার নিয়ে আসে।

 

ওজন কমাতে সাহায্য করে

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং-এর অন্যতম প্রধান উপকারিতা হলো ওজন কমানো। যখন আপনি নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খান এবং বাকি সময় উপবাস থাকেন, তখন শরীর স্বাভাবিকভাবে ক্যালোরি গ্রহণ কমিয়ে দেয়। এর ফলে শরীর জমে থাকা ফ্যাটকে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে। দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রক্রিয়া চলতে থাকলে ধীরে ধীরে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমে যায় এবং ওজন হ্রাস পায়। এটি বিশেষভাবে কার্যকর তাদের জন্য যারা অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের কারণে স্থূলতায় ভুগছেন।

 

মেটাবলিজম উন্নত করে

ফাস্টিং শরীরের শক্তি ব্যবহারের ক্ষমতা বাড়ায় এবং মেটাবলিজমকে আরও কার্যকর করে তোলে। যখন শরীর খাবার ছাড়া থাকে, তখন এটি জমে থাকা শক্তি ব্যবহার করতে শেখে। এর ফলে শরীরের কোষগুলো আরও সক্রিয় হয় এবং খাবার হজমের প্রক্রিয়া দ্রুত হয়। উন্নত মেটাবলিজম মানে শরীর সহজে ক্যালোরি বার্ন করতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি শরীরকে আরও চনমনে ও সক্রিয় রাখে।

 

ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়, অর্থাৎ শরীর ইনসুলিনকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারে। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে যায়। যারা প্রিডায়াবেটিস বা টাইপ-২ ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী হতে পারে। নিয়মিত ফাস্টিং শরীরকে শর্করা প্রক্রিয়াজাত করতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘমেয়াদে রক্তে সুগারের ওঠানামা কমিয়ে দেয়।

 

হার্টের জন্য উপকারী

ফাস্টিং কোলেস্টেরল এবং ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, যা হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যখন শরীর অতিরিক্ত ফ্যাট ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করে, তখন খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমে যায় এবং ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ে। এর ফলে রক্তনালীগুলো সুস্থ থাকে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। এছাড়াও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকায় হার্ট আরও শক্তিশালী হয়।

 

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়

গবেষণায় দেখা গেছে যে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি নিউরনগুলোর কার্যকারিতা উন্নত করে এবং নতুন স্নায়ু সংযোগ তৈরি করতে সহায়তা করে। এর ফলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়, মনোযোগ বাড়ে এবং মানসিক স্বচ্ছতা উন্নত হয়। দীর্ঘমেয়াদে এটি আলঝেইমার বা অন্যান্য স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে। ফাস্টিং-এর সময় শরীর থেকে উৎপন্ন কিটোন মস্তিষ্কের জন্য একটি কার্যকর শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।

 

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং-এর সময় কী খাবেন?

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করার সময় সঠিক খাবার নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিন

ফাস্টিং-এর সময় খাবার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা। ফল এবং সবজি শরীরের জন্য অপরিহার্য ভিটামিন, মিনারেল এবং ফাইবার সরবরাহ করে, যা হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং শরীরকে সতেজ রাখে। প্রোটিন যেমন ডাল, ডিম, পনির বা মুরগির মাংস মাংসপেশি শক্তিশালী করে এবং দীর্ঘ সময় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সম্পূর্ণ শস্য যেমন ওটস, ব্রাউন রাইস এবং মাল্টিগ্রেইন রুটি ধীরে হজম হয়, ফলে দীর্ঘ সময় শক্তি দেয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে। 

 

স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যেমন বাদাম, আখরোট, অ্যাভোকাডো এবং অলিভ অয়েল শরীরের জন্য উপকারী, কারণ এগুলো হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। সঠিক খাবার নির্বাচন করলে ফাস্টিং-এর সময় শরীর দুর্বল হয় না বরং আরও শক্তিশালী হয়।

 

যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

ফাস্টিং-এর সময় কিছু খাবার এড়িয়ে চলা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এগুলো শরীরের ক্ষতি করতে পারে এবং ফাস্টিং-এর উপকারিতা কমিয়ে দেয়। জাঙ্ক ফুড এবং অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি যোগ করে, যা ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়া ব্লাড সুগার দ্রুত বাড়িয়ে দেয়, ফলে শরীরের ইনসুলিন সেনসিটিভিটি কমে যায় এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। প্রসেসড খাবার যেমন প্যাকেটজাত স্ন্যাকস, সফট ড্রিঙ্কস বা ফাস্ট ফুড শরীরের জন্য ক্ষতিকর, কারণ এগুলোতে অতিরিক্ত লবণ, চিনি এবং কৃত্রিম উপাদান থাকে।

 

এসব খাবার নিয়মিত খেলে ওজন বাড়তে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ফাস্টিং-এর সময় যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া উচিত এবং ক্ষতিকর খাবার থেকে দূরে থাকা উচিত।

 

সম্ভাব্য ক্ষতি এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং-এর অনেক উপকারিতা থাকলেও শুরুতে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা শরীরকে নতুন রুটিনে মানিয়ে নিতে সময় দেয়।

 

  • প্রথম দিকে অনেকের মাথা ব্যথা হতে পারে, কারণ শরীর হঠাৎ করে খাবারের সময়সূচি পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করে এবং রক্তে শর্করার ওঠানামা মাথার উপর চাপ সৃষ্টি করে।
  • কিছু মানুষ দুর্বলতা এবং ক্লান্তি অনুভব করতে পারেন, বিশেষ করে প্রথম কয়েকদিনে, কারণ শরীর জমে থাকা শক্তি ব্যবহার করতে শেখে এবং নতুন এনার্জি ব্যালান্স তৈরি করতে সময় নেয়।
  • অনেক সময় মাথা ঘোরা বা হালকা অজ্ঞান হওয়ার মতো অনুভূতি হতে পারে, বিশেষ করে যদি পর্যাপ্ত পানি না পান করা হয় বা শরীর ডিহাইড্রেশনে ভোগে, যা ফাস্টিং-এর সময় আরও তীব্র হতে পারে।
  • কিছু ক্ষেত্রে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যেতে পারে এবং মনোযোগে সমস্যা দেখা দিতে পারে, কারণ শরীরের এনার্জি লেভেল ওঠানামা করে এবং মস্তিষ্ক নতুন খাদ্যাভ্যাসের সাথে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করে।

 

উপসংহার

এখন আপনি বুঝতে পেরেছেন যে intermittent fasting কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এটি সঠিকভাবে শুরু করা এবং নিজের শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী ধীরে ধীরে অভ্যাস করা।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং কোনো শর্টকাট নয়, বরং এটি একটি নিয়মিত এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের অংশ। সঠিক খাবার, নিয়মিত রুটিন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের সঙ্গে এটি অনুসরণ করলে আপনি দীর্ঘমেয়াদে ভালো ফল পাবেন।

 

একই সঙ্গে, যখন আপনি নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিচ্ছেন, তখন নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং হঠাৎ চিকিৎসা খরচের জন্য প্রস্তুত থাকাও জরুরি। একটি ভালো health insurance plan এই ক্ষেত্রে আর্থিক সুরক্ষা দিতে পারে। Niva Bupa Health Insurance-এর মতো বিকল্পগুলি আপনাকে সঠিক কভারেজ বেছে নিতে সাহায্য করতে পারে, যাতে আপনি নিশ্চিন্তে আপনার স্বাস্থ্য এবং ফিটনেসের দিকে মনোযোগ দিতে পারেন।

 

People Also Ask

 

1. উপবাস করার সময় কি সম্পূর্ণ না খেয়ে থাকা বাধ্যতামূলক?

না, সম্পূর্ণ না খেয়ে থাকা সবসময় বাধ্যতামূলক নয়। অনেক পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য খাবার এড়িয়ে চলা হয়, তবে পানি বা কিছু লো-ক্যালোরি পানীয় গ্রহণ করা যায়। এতে শরীর হাইড্রেটেড থাকে এবং অস্বস্তি কম হয়।

 

2. এই ধরনের ডায়েট কি সবার জন্য উপযুক্ত?

সবাইয়ের জন্য এটি একদম একইভাবে কাজ নাও করতে পারে। গর্ভবতী মহিলা, দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন এমন ব্যক্তি বা যাদের বিশেষ স্বাস্থ্য সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 

3. উপবাসের সময় শরীরে দুর্বলতা অনুভব হলে কী করা উচিত?

যদি খুব বেশি দুর্বলতা বা মাথা ঘোরা অনুভব হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বিশ্রাম নিন এবং পানি পান করুন। প্রয়োজনে হালকা কিছু খাওয়া যেতে পারে এবং ধীরে ধীরে শরীরকে অভ্যস্ত করার চেষ্টা করা উচিত।

 

4. ব্যায়াম কি এই সময়ে করা নিরাপদ?

হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ব্যায়াম সাধারণত নিরাপদ। তবে শরীরের শক্তির মাত্রা কম থাকলে ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলা ভালো। নিজের শরীরের সংকেত বুঝে ব্যায়ামের ধরন ঠিক করা উচিত।

 

5. কতদিনের মধ্যে এর ফলাফল দেখা যেতে পারে?

ফলাফল ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে। কেউ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারেন, আবার কারও ক্ষেত্রে সময় একটু বেশি লাগতে পারে। নিয়মিততা এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Start Your Health Insurance Today

Get right coverage, right premium and the right protection instantly.

+91
Disclaimer infoBy clicking Start Now, you authorize Niva Bupa to Call/SMS/Whatsapp on your registered mobile overriding DNCR.

You may also like

Popular Searches

Health Insurance - Health InsuranceBest Family Health Insurance | Best Mediclaim PolicyMediclaimBest Health Insurance For Senior Citizens In IndiaHealth Insurance With Opd CoverMediclaim InsuranceCritical Illness InsurancePersonal Accident InsuranceMediclaim PolicyIndividual Health InsurancePregnancy InsuranceMaternity InsuranceBest Health Insurance companyFamily Health InsuranceNRI Health Insurance | 3 Lakh Health Insurance  | Health Insurance in KeralaHealth Insurance in Tamil NaduHealth Insurance in West BengalHealth Insurance in DelhiHealth Insurance in Jaipur | Health Insurance in LucknowHealth Insurance in Bangalore 

 

Health Insurance Schemes - Chief Ministers Comprehensive Health Insurance SchemeEmployee State Insurance SchemeSwasthya Sathi SchemeSwasthya SathiPradhan Mantri Matru Vandana YojnaGovernment Health Insurance SchemeDr. YSR Aarogyasri SchemePradhan Mantri Suraksha Bima YojnaHealth Insurance DeductibleWest Bengal Health SchemeThird Party AdministratorRashtriya Swasthya Bima YojanaIn Patient Vs Out Patient HospitalizationMukhyamantri Chiranjeevi YojnaArogya Sanjeevani Health InsuranceCopay Health InsuranceCashless Health Insurance SchemeMukhyamantri Amrutum YojnaPMMVY LoginPMJJBY Policy StatusSwasthya Sathi CardPMSBYABHA Card DownloadPMJJBY | Ayushman CardPMMVY 2.0Ayushman Vay Vandana Card PMMVY NIC IN रजिस्ट्रेशनPMMVY 2.0 लॉगिन

 

Travel Insurance Plans Travel InsuranceInternational Travel InsuranceStudent Travel InsuranceTravel Insurance USATravel Insurance CanadaTravel Insurance ThailandTravel Insurance GermanyTravel Insurance DubaiTravel Insurance BaliTravel Insurance AustraliaTravel Insurance SchengenTravel Insurance SingaporeTravel Insurance UKTravel Insurance VietnamMalaysia Tourist PlacesThailand Visa for Indians  | Canada Visa for IndiansBali Visa for IndiansECR and Non ECR PassportUS Visa AppointmentCheck Saudi Visa StatusSouth Korea Visa for IndiansDubai Work Visa for IndianNew Zealand Visa StatusSingapore Transit Visa for IndiansNetherlands Work Visa for IndiansFile Number in PassportHow to Renew a Passport OnlineRPOUS Work Visa for IndiansPassport Seva Kendra | Least Visited Countries in the WorldPassport Kitne Ka Banta HaiPassport Number Check by NameCleanest Country in the World



Group Health Insurance - Startup Health Insurance | Commercial Health InsuranceCorporate insurance vs personal insuranceGroup Personal Accident Insurance | Group Travel InsuranceEmployer Employee InsuranceMaternity Leave RulesGroup Health Insurance CSREmployees State Insurance CorporationWorkers Compensation InsuranceGroup Health Insurance TaxGroup OPD CoverageEmployee Benefits ProgrammeHow to Claim ESI AmountGroup Insurance vs. Individual InsuranceEmployee Benefits Liability

Become an Agent - Insurance Agent | Insurance AdvisorLicensed Insurance AgentHealth Insurance ConsultantPOSP Insurance AgentIRDA Certificate DownloadIC 38 ExamInsurance Agent vs POSPIRDA Exam SyllabusIRDAI Agent LocatorIRDA exam fee | Paise Kaise KamayeGhar Baithe Paise Kaise Kamaye

 

Top Hospitals  Best Hospitals in ChennaiTop Hospitals in DelhiBest Hospitals in GurgaonBest Hospitals in IndiaTop 10 Hospitals in IndiaBest Hospitals in HyderabadBest Hospitals in KolkataBest cancer hospitals in BangaloreBest cancer hospitals in HyderabadBest cancer hospitals in MumbaiBest cancer hospitals in IndiaTop 10 cancer hospitals  in IndiaTop 10 cancer hospital in DelhiMulti Speciality Hospitals in MumbaiMulti Speciality Hospitals in ChennaiMulti Speciality Hospitals in HyderabadSuper Speciality Hospitals in DelhiBest Liver Hospitals in DelhiBest Liver Hospitals in IndiaBest Kidney Hospitals in IndiaBest Heart hospitals in BangaloreBest Heart hospitals in IndiaBest Heart hospitals in KolkataBest Heart hospitals in Delhi


OthersTop Up Health Insurance PolicyCorporate Health InsuranceHealth CardSection 80d of Income Tax ActAyushman BharatHealth Insurance PortabilityGoActive Family Floater PlanHealth Companion Family Floater PlanHealth Premia Family Floater PlanHealth Pulse Family Floater PlanHealth Recharge Family Floater PlanHeartbeat Family Floater PlanMoney Saver Family Floater PlanSaral Suraksha Bima Family Floater PlanSenior Citizen Family Floater PlanSuper Saver Family Floater PlanCorona Kavach Family Floater PlanHospital Cash InsuranceCashless Health InsuranceHealth Companion Price revision | Heartbeat Price revision | ReAssure Price revisionGst Refund for NRI on Health Insurance PremiumHealth Insurance Tax Deductible

 

COVID - OmicronCoronavirus Health InsuranceNorovirusCOVID Variants (NB.1.8.1 and LF.7)

 

 

Health & Wellness - PCODPCOD Problems SymptomsStomach InfectionStomach Infection symptomsHome remedies for Stomach InfectionHypertension definitionHow to Control SugarTyphoid in HindiBlood sugar symptomsTyphoid symptoms in hindiLow sugar symptoms | ब्लड शुगर के लक्षणpregnancy me kya kareOpen heart surgery costBlood infection symptoms in hindiBP badhne ke karanKhansi ka gharelu upayBlack Coffee Benefits in HindiMenopause Symptoms in HindiBenefits of Neem in Hindi  | Benefits of Fenugreek Water in HindiParkinsons DiseaseAnxietyParkinsons Disease in HindiShilajit ke FaydeVitamin B Complex Tablet Uses In Hindi Limcee tablet uses in HindiOPD Full FormAnxiety in HindiSGPT Test in HindiSGOT Test in HindiTrauma in HindiTPA Full Form  | शिलाजीत के फायदे हिंदी | Weight Gain Diet in HindiSat Isabgol Uses In Hindi | Aloe Vera Juice Benefits in HindiDragon Fruit Benefits in HindiAkal Daad in HindiAcidity Home Remedies in HindiNikat Drishti Dosh in HindiYoga Benefits in HindiLaung Khane ke Fayde in HindiLeukoplakia in HindiProtien in 100g PaneerBenefits of Rice Water For SkinB12 Deficiency Symptoms in HindiFibre Foods in HindiChronic Disease Meaning in HindiVitamin D Foods in HindiBlood Urea in HindiBeetroot Uses Good for Health 

 

 

Calculator - BMI CalculatorPregnancy CalculatorPregnancy Calendar Based on Conception DatePregnancy Conception Date CalculatorLast Menstrual Period Calculator BMR CalculatorGFR CalculatorOvulation Calculator